Saturday, December 15, 2018

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348

খালেদার মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ নভেম্বর

ঢাকাঃ সোনারদেশ২৪ডটকমঃ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুই দুর্নীতি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১২ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দার বৃহস্পতিবার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে আজ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উচ্চ আদালতে লিভ টু আপিল থাকায় আসামিপক্ষের আবেদনে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি রেখেছেন আদালত।

সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু চিকিৎসার জন্য লন্ডনে থাকায় আদালতে অনুপস্থিতির জন্য দুই মামলায়ই খালেদা জিয়ার পক্ষে আবেদন জানান তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া। তবে খালেদার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আবেদন জানান তিনি।

আদালত খালেদার অনুপস্থিতির আবেদন মঞ্জুর করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাক্ষীর জেরা ও নতুন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেন।

অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বিধিসম্মত বলে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে লিভ টু আপিল বিচারাধীন থাকার কথা উল্লেখ করে এ মামলার জেরা-সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাতে সময়ের আবেদন করেন একই আইনজীবী। এ আবেদনটি মঞ্জুর করে তা মুলতবি রেখেছেন আদালত।

এরপর মামলাটির ১৮তম সাক্ষী (জব্দ তালিকার সাক্ষী) সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার মেজবাউল হককে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। খালেদার পক্ষে জেরা করেন আব্দুর রেজ্জাক খান।

এরপর মামলার জব্দ তালিকার নতুন দুই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তারা হলেন- ১৯তম ও ২০তম সাক্ষী মেট্রো মেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের এমডি এএফএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও ডিএমডি মাইনুল ইমরান চৌধুরী। আদালত আগামী ১২ নভেম্বর ওই দুই সাক্ষীকে আসামিপক্ষের জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামি মোট ছয়জন। খালেদা ছাড়া অন্য পাঁচজন হচ্ছেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা করা হয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Check Also

sonardesh24.com

দাপুটে জয়ে টাইগারদের সিরিজ জয়

ক্রীড়া ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪: সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টাইগারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারী উইন্ডিজ। শেষ ম্যাচে ৮ ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com