Wednesday, October 17, 2018

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348
sonardesh24.com

জঙ্গি নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নিচ্ছিল সরকার: দ্য গার্ডিয়ান

ঢাকাঃসোনারদেশ২৪ডটকমঃ

sonardesh24.comবাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ইসলামি উগ্রপন্থা পর্যবেক্ষণ করা অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, এমন ঘটনা একেবারেই অনুমিত ছিল।
 
আজ লন্ডনের বিখ্যাত দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, উগ্রবাদীদের শত্রু হিসেবে বিবেচিত দেশি-বিদেশি লোকজনের বিরুদ্ধে গত বছরজুড়ে বাংলাদেশে সহিংসতা বেড়ে চলার বিষয়টি লক্ষ করা যায়। ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগার, মৌলবাদের স্পষ্টবাদী সমালোচক, হিন্দু ও খ্রিষ্টানের মতো ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য, পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্যরা হামলার শিকার হয়েছে।
 
এসব সহিংসতার অধিকাংশ ছিল ‘লো-টেক’ হামলা। এসব হামলায় জঙ্গিদের ছোট গোষ্ঠী বা ছুরি বা ক্ষুদ্র অস্ত্রধারী ব্যক্তিরা জড়িত ছিলেন।
 
গতকাল শুক্রবার গুলশানে চালানো হামলার ব্যাপকতা বিশাল। হামলাকারীদের কাছে যথেষ্ট স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গ্রেনেড থাকার খবর প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়।
 
প্রায় দেড় বছর ধরে পশ্চিমা গোয়েন্দারা বড় ধরনের হামলার বিষয়ে আশঙ্কা করে আসছিলেন। গত বছর কূটনৈতিক বলয়ে জটিল হামলার পরিকল্পনার আভাসে অনেকটা শঙ্কার সৃষ্টি হয়। বিদ্যমান জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ঢাকার ওপর পশ্চিমা দেশগুলো থেকেও চাপ আসে।
 
কিন্তু তেমনটা হয়নি। ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আওয়ামী লীগ সরকার এই পরিস্থিতি থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ে সচেষ্ট ছিল। তারা উল্টো তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দোষারোপ করেছে। কিংবা দেশে আইএস বা আল-কায়েদার মতো কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্কের অস্তিত্ব সরাসরি অস্বীকার করেছে। অথচ এই গোষ্ঠীগুলো হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে।
 
উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো দমনের পরিবর্তে সরকার রক্ষণশীলদের ছাড় দিয়েছে। হত্যার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের দোষারোপ করা হয়েছে। ব্লগারদের নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত হয়েছে।
 
গতকাল রাতে আইএস গুলশানে হামলা দায় স্বীকার করেছে। তবে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।
 
নিজেদের সম্ভাব্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করেছে আইএস ও আল-কায়েদা।
 
আইএসের প্রচারণায় বারবার বাংলাদেশের নাম এসেছে। আল-কায়েদার ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশে জিহাদের ডাক দেওয়া হয়েছে।
 
আইএসের তৎপরতার কেন্দ্রস্থল মধ্যপ্রাচ্য। সেখান থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক দূরে। তা ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় আইএসের কখনোই দৃঢ় উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে পাকিস্তানে ১৯৮৮ সালে আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে এই অঞ্চলে তাদের স্থায়ী উপস্থিতি আছে।
 
২০১৪ সালে আল-কায়েদার নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি দক্ষিণ এশিয়ায় তার সংগঠনের নতুন শাখা খোলার ঘোষণা দেন। আল-কায়েদার তৎপরতা আফগানিস্তান থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত সম্প্রসারিত করার কথা বলেন তিনি। যদি আল-কায়েদা ঘোষণা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তা সত্ত্বেও গুলশানের হামলা তাদের দ্বারা অসম্ভব নয়।
 
সক্ষমতা জোরদারে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তাৎপর্যপূর্ণ সম্পৃক্ততা রয়েছে।
 
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে সংঘটিত সহিংসতা কিছুটা গণমাধ্যমের দৃষ্টি কেড়েছে। কিন্তু বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের মনোযোগ খুব কমই আকৃষ্ট করেছে।
 
ওয়াশিংটন, লন্ডন বা অন্য কোথাও বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পায়নি।
 
এই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু খুব কম লোকই রাজনৈতিক ভিন্নমত, বহুত্ববাদ বা আইনের মানদণ্ড ক্রমেই রুদ্ধ করার বিষয়ে যথেষ্ট নজর দিয়েছেন।
 
এই হামলার ঘটনা যেভাবেই শেষ হোক না কেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদী ইসলামের হুমকির বিষয়টিকে উপেক্ষা করা ঢাকা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক উভয়ের জন্য অনেকটাই কঠিন করে তুলবে।

Check Also

sonardesh24.com

নওগাঁয় দুটি ব্রীজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ সোনারদেশ২৪: নওগাঁর মহাদেবপুরে স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৭ বছর পর অবশেষে আত্রাই নদীর শিবগঞ্জঘাট ও ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com