Saturday, December 15, 2018

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348
sonardesh24.com

ধানের কুঁড়া ও রঙ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে হলুদ-মরিচের গুঁড়া

সোনারদেশ২৪ রিপোর্টঃ

sonardesh24.comপ্রতিদিনের রান্না গৃহিণীদের হলুদ-মরিচ চাই চাই। আর ঝমেলাহীনভাবে রান্নার গুরুত্বপূর্ণ এ অনুষঙ্গ পেতে বাজারের হলুদ-মরিচের গুঁড়াই ভরসা। কিন্তু এসব গুঁড়া মসল্লা কতটা স্বাস্থ্য সম্মত তা জানা নেই বেশির ভাগ গৃহিণীদের।

সম্প্রতি ভোলা জেলার চরফ্যাসন পৌরসভাসহ আশপাশের এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মরিচ ও হলুদ তৈরির প্রায় দেড়শটিরও বেশি মিল রয়েছে ওই এলাকায়। এর মধ্যে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন নাই একটিরও।

এ বছর অসময়ে বৃষ্টির কারণে মরিচের ফলন না হওয়ায় মিলগুলোয় চলছে ভেজাল মরিচ ও হলুদ উৎপাদনের উৎসব।

এক বস্তা (৫০ কেজি) বোম্বাই মরিচ ও ২০ বস্তা ধানের কুঁড়া, সঙ্গে সাড়ে ৫ কেজি রাসায়নিক পদার্থ (অরেঞ্জ কালার) মিশিয়েই তৈরি হচ্ছে মরিচের গুঁড়া। মেশিনে গুঁড়া করার পর তা হয়ে উঠছে এক হাজার ৫৫ কেজি গুঁড়া মরিচ। একইভাবে তৈরি হচ্ছে হলুদের গুঁড়াও। প্যাকেটজাত হয়ে তা ঠাঁই নিচ্ছে ভোক্তার রান্নাঘরে। মরিচ ও হলুদের নামে বিক্রি হওয়া এ ভেজালসামগ্রী মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে ভোক্তাদের। অথচ এসব মরিচ ও হলুদের গুঁড়া শোভা পাচ্ছে উপজেলার বেশিরভাগ রান্না ঘরে।

চরফ্যাসন সদর বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জনতা রোডের সাজাহান মুন্সির মরিচের মিলে দুটি মেশিনে চলছে ভেজাল মরিচ ও হলুদের গুঁড়া তৈরির কাজ। তারা ব্যস্ত রঙ, বোম্বাই মরিচ ও ধানের কুঁড়া গুঁড়া করার কাজে। পাশেই চারজন সহকারী গুঁড়া করা এসব উপাদান আনুপাতিক হারে মেশানোর কাজে ব্যস্ত। আরেকজন ব্যস্ত মিশ্রিত ভেজাল গুঁড়া প্যাকেজিং গুদামে নিয়ে যাওয়ার কাজে।

ক্রেতা পরিচয়ে জানতে চাইলে মিল মালিক সাজাহান মুন্সি জানান, প্রতিদিন প্রায় এক টন মরিচ ও হলুদ প্রস্তত করার সক্ষমতা আছে তাদের। তবে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করেন তারা। একই এলাকায় সিপন মহাজনের মরিচের মিলেও প্রতিদিন প্রায় দশ পনেরো মণ মরিচ ও হলুদের গুঁড়া উৎপাদন হয় বলে জানা যায়।

বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই চরফ্যাসন পৌর এলাকার জনতা রোডের ১৫টি মিলে মরিচ ও হলুদের গুঁড়া প্রস্তত করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রতি মাসে এক থেকে দেড় টন মরিচ ও হলুদের গুড়া বাজারজাত কো হচ্ছে। এসব মিল ছাড়াও চরফ্যাসন পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে ভেজাল মরিচ ও হলুদ ভেঙে প্যাকেটজাতের পর বিক্রি করছে আবুল খায়ের, কবির হোসেন ও ইকবাল হোসেনসহ বেশ কয়েকটি মরিচের মিল প্রতিষ্ঠান।

মিল মালিকরা জানান, ঠিক ভেজাল নয়, একটু নিন্মমানের পণ্য ব্যবহার করা হয়। চরফ্যাসনের প্রতিটি এলাকায় এ মানের মরিচ ও হলুদের গুঁড়ার চাহিদাও রয়েছে। এছাড়া এতে পুঁজি লাগে কম। কিন্তু লাভ বেশি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি মাসে মোটা অংকের চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে বলে জানান এসব ব্যবসায়ীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ৫০ কেজি হলুদের গুঁড়া তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ৫ কেজি আস্ত হলুদ, এক বস্তা ধানের কুঁড়া ও ১শ গ্রাম রঙ। আর উৎপাদিত এ পণ্য বিক্রিও হচ্ছে অনেক কম দামে।

উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে একাধিকবার এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মেয়াদে জেল এবং জরিমানা করেও এদের এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করা যায়নি। জেল খেটে ফের তারা ভেজাল মরিচ ও হলুদের গুঁড়া তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন। এখন চরফ্যাসনের সচেতন মহলের প্রশ্ন এদের থামাবে কে?

Check Also

sonardesh24.com

দাপুটে জয়ে টাইগারদের সিরিজ জয়

ক্রীড়া ডেস্কঃ সোনারদেশ২৪: সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টাইগারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারী উইন্ডিজ। শেষ ম্যাচে ৮ ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com