Sunday, March 24, 2019

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348

নাটোরে ২৬ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হবে রসুন

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ

sonardesh24.comনাটোরে চলতি রবি মৌসুমে ২৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার জমি আবাদে নিয়োজিত শ্রমের মোট আর্থিক মূল্য ১১৬ কোটি টাকা। দেশের সর্বাধিক রসুন উৎপাদনকারী জেলা নাটোরে এখন চলছে রসুনের কোয়া ছাড়ানোর কাজ।

নাটোর জেলায় উৎপাদিত রসুনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বিনা চাষে রসুন উৎপাদন। নাটোরে রসুনের আবাদী জমির প্রায় পুরোটাই বিনা চাষের রসুন।

জেলার বেশিরভাগ রসুন উৎপাদিত হয় গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায়। একবিঘা জমি বুনতে ১৫ থেকে ১৬ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয় বলে জানান কৃষক আনসার আলী। মাঠ জুড়ে একদিকে চলছে রসুন বোনা, অন্যদিকে যুগপৎভাবে চলছে বোনা রসুনকে ধানের বিছালী দিয়ে ঢেকে দেওয়ার কাজ। বিছালী ঢাকা জমিন থেকে বেরিয়ে আসবে রসুন গাছের সবুজ অঙ্কুরোদগম।

লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে ২৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর অর্থাৎ এক লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৫ বিঘা জমির রসুন বুনতে প্রায় ৩০ লাখ জন শ্রমিকের তিন-চতুর্থাংশ পুরুষ হলে, তাদের মোট সংখ্যা সাড়ে ২২ লাখ এবং জনপ্রতি ৩৫০ টাকা হিসেবে তাদের সমষ্টিক পারিশ্রমিক ৭৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে, রসুন বুনতে কর্মরত এক-চতুর্থাংশ অর্থাৎ সাড়ে ৭ লাখ নারী শ্রমিকের মোট পারিশ্রমিক ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পাশাপাশি, জমিতে মোট প্রয়োজনীয় ২০ টন বীজ ছড়াতে প্রায় পাঁচ লাখ নারী শ্রমিকের মোট পারিশ্রমিক মণ প্রতি ৩০০ টাকা হিসেবে ১৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এ কর্মযজ্ঞে মোট শ্রমের আর্থিক মূল্যমান দাড়াচ্ছে ১১৬ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে জেলায় ২৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে রসুন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বড়াইগ্রাম উপজেলায় সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৩৪৭ হেক্টর, গুরুদাসপুর উপজেলায় ছয় হাজার ৬৬১ হেক্টর, নাটোর সদর উপজেলায় দুই হাজার ৭৭৬ হেক্টর, লালপুর উপজেলায় দুই হাজার ১২৩ হেক্টর, সিংড়া উপজেলায় এক হাজার ৩৩২ হেক্টর, বাগাতিপাড়া উপজেলায় ৭৮৬ হেক্টর এবং নলডাঙ্গা উপজেলায় ৬২৫ হেক্টর। ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমি রসুন আবাদের আওতায় এসেছে। আর ফলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় দুই লাখ টন।

বড়াইগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার ইকবাল আহমেদ বলেন, বিগত দুই দশকে নাটোরে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্রকরণ হয়েছে। কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষি বিভাগের নতুন প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে প্রচলিত শস্যের বাইরে কৃষকরা অপ্রচলিত কিন্তু লাভজনক শস্যের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন। এক্ষেত্রে রসুন অগ্রগামী শস্য। বর্তমানে রসুন উপজেলার সবচেয়ে লাভজনক শস্য।

উপজেলা কৃষি অফিসার আরও বলেন, অনুকূল আবহাওয়া, মানসম্মত বীজের সহজলভ্যতা, সারের পরিমিত ও আদর্শ বাবহারের পাশাপাশি কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ ও তদারকিতে রসুনের আশাতীত ফলন হবে। তিনি বলেন, বাজারে কৃষকরা রসুনের প্রত্যাশিত দাম পেলে একসময় রসুন এ এলাকার প্রধান অর্থকরী ফসলে পরিণত হবে।

Check Also

শাহজালাল বিমানবন্দরে অস্ত্র ও গুলিসহ আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ ঘোষণা ছাড়া অস্ত্র নিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ করায় এস এম মুজিবুর ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com