Tuesday, March 26, 2019

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348

ভোলায় নির্মাণের এক বছরের মধ্যেই সেতুর সংযোগ সড়কে ধস

সোনারদেশ২৪ রিপোর্টঃ

sonardesh24.comভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার চরকলমী ইউনিয়নে অবস্থিত জেলার বৃহত্তম ব্রীজ মায়া নদীর উপর নির্মিত মায়া ব্রীজ। নির্মাণের প্রায় ১ বছরের মধ্যেই ব্রীজে উঠা নামার প্রধান সংযোগ সড়কসহ কয়েকটি অংশ ধসে পড়েছে। এতে করে ব্রীজের উপর দিয়ে প্রায় ৫ মাস ধরে যানবাহনসহ জনসাধারনের চলাচল একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে।

বর্তমানে স্থানীয়দের উদ্যোগে ব্রীজেটির উপর উঠতে সড়কের কিছু অংশ কাঠ দিয়ে বিকল্প পাটাতন তৈরী করে রিক্সা ও মোটরসাইকেল কোন রকমে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে। এঘটনায় জনগনের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও ব্রীজের স্থায়ীত্বমান নিয়েও নানান প্রশ্ন ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরকলমী ও নজরুল নগর ইউনিয়নকে জেলার মূল ভূ-খন্ডের পাশাপাশি সারাদেশের সড়ক যোগাযোগের সাথে সংযুক্ত করতে মায়া নদীর উপর নির্মিত হয়েছে ব্রীজ। এ ব্রীজটির দৈর্ঘ্য ৩৭৮.৪০ মিটার। ব্রীজের সংযোগ সড়কসহ আরো ২টি ছোট ব্রীজ নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ব্রীজটি ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে শুরু করে ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

ব্রীজটি নির্মাণ করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে নবারুণ ট্রেডার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ব্রীজটি গত বছরের ৮মে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং বন ও পরিবেশ উপ-মন্ত্রী আব্দুলাহ আল ইসলাম জ্যাকব আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় প্রায় ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে র্নিমিত ব্রীজের এ্যাপ্রোচ সংযোগ সড়ক ও ব্রীজে উঠা নামার সিড়ি ধসে পড়ে যায়। একই বছর জোয়ারের পানির চাপে সড়কের কিছু অংশ ভেঙে যায়। চলতি বছরের বর্ষা মৌসমের শুরুতে ব্রীজে উঠা নামার প্রধান সংযোগ সড়কসহ কয়েকটি অংশের ব্লক ধসে পড়ে।

এতে করে ব্রীজের উপর দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়দের সাথে আলাপ কালে চরকলমী ইউনিয়নের আ, মান্নান, কামরুল ও কামাল হোসেন জানান, এখানে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা ব্যয় করে এ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমান চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ব্রীজে উঠা নামার প্রদান সংযোগ সড়ক ধসে পড়েছে। এতে করে ব্রীজের উপর দিয়ে সকল ধরণের যানবাহ ও জনসাধারনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মো. সোলায়মান জানান, ‘ব্রীজ নির্মাণের বিষয়ে এলাকাবাসী যে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন তা সত্য নয়। সব ব্রীজে ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের এই ব্রীজের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এফরোজের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে ধসের ঘটনা ঘটেছে।’

তখন ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টাকা কম ছিল। তাই ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া ব্রীজ নির্মাণের সময় আমাদের কোন ডিজাইনার ছিল না। তার কারণে এফরোজ ছুটে যাচ্ছে।’ ডিজাইনার ছাড়া কিভাবে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এড়িয়ে যান। তিনি আরো বলেন, ‘ব্রীজটির ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানালে প্রজেক্ট ডাইরেক্টর সরজমিনে এসেছেন। আমরা দক্ষ ডিজাইনার দিয়ে ডিজাইন করে পাঠিয়ে দিয়েছি।’ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই টেন্ডার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Share This:

Check Also

শাহজালাল বিমানবন্দরে অস্ত্র ও গুলিসহ আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ ঘোষণা ছাড়া অস্ত্র নিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ করায় এস এম মুজিবুর ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com