Wednesday, December 19, 2018

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348
sonardesh24.com
পূর্ণিমা

শাশুড়ি কাজ করতে দেননি : পূর্ণিমা

বিনোদন ডেস্কঃসোনারদেশ২৪ডটকমঃ

sonardesh24.com
                                      পূর্ণিমা

পূর্ণিমা (চিত্রনায়িকা) : ঈদ উপলক্ষে শ্বশুরবাড়িতে প্রথম যাই ২০১২ সালে। যদিও আমার বিয়ে হয়েছে ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর। ২০১২ সালের আগে কোনো ঈদে শ্বশুরবাড়িতে যেতে পারিনি। নানা ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। বলে রাখি, আমার শ্বশুরবাড়ি চট্টগ্রামে। শ্বশুর-শাশুড়িরা চট্টগ্রাম শহরে থাকেন। আর আমার বরের দাদাবাড়ি নানাবাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া গ্রামে। সেবার সব দেখে-শুনে ঘুরে এসেছিলাম। সব মিলে ঈদের দিনটি আমার কাছে একটি স্মরণীয় ঈদ হয়ে আছে।

বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির সবার সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ হলো। সবাই একসঙ্গে গল্প-আড্ডা খাওয়া-দাওয়া ঘোরাঘুরি চলেছিল সারাটা দিন। এর মাঝে সকালের দিকে মায়ের সঙ্গে একবার কথা হলো, মাকে আমি কোনো সময় খুব বেশি আবেগ আপ্লুত হতে দেখিনি। সেদিনও তার ব্যতিক্রম হলো না। মা খুব স্বাভাবিকভাবেই বললেন, ‘সবার সঙ্গে মিলেমিশে থেকো।’

আমার শাশুড়ি আমাকে কোনো কাজ করতে দেননি। চাঁদরাতে তিনি সবকিছু রান্না করে রেখেছিলেন। ঈদের সারা দিন পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুরেছি। শ্বশুরবাড়ি থেকে গিফট পেয়েছিলাম শাড়ি। সেদিন ওই শাড়িটাই পরেছিলাম।

আমরা গিয়েছিলাম চট্টগ্রামের লোহাগাড়াতে। গ্রামের মানুষকে আগে থেকে কিছু জানতে দেওয়া হয়নি। আমার দাদাশ্বশুরদের বাংলো বাড়ি। বাইরের লোকজন ‘নো এন্ট্রি’ ছিল। কিন্তু মানুষ কীভাবে যেন জেনে যায়, ‘পূর্ণিমা এসেছে’। তারপর ওই দিনই চট্টগ্রাম শহরে ফিরে এসেছিলাম। আমরা যখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হই আমি মানুষের উপস্থিতি দেখে সত্যিই এত আনন্দ পেয়েছিলাম, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। একজন অভিনেত্রীর কাছে মানুষের ভালোবাসা তো কাঙ্ক্ষিত।

আমার দাদিশাশুড়ি-নানিশাশুড়ির কাছ থেকে সেলামি পেয়েছিলাম ২০ হাজার টাকা। পরে যা হলো, দেবর (রিয়াদ) আর জা (মুনমুন) দুজন পরপর এসে আমাকে সালাম করে বলল, ‘এবার আমাদের সালামি দাও’। সারা দিন কষ্ট করে যা জুটেছিল মুহূর্তে খরচের খাতায় চলে গেল। মানে, রিয়াদ আর ‍মুনমুনকে দিয়ে দিলাম। শেষে আমার কাছে জমা থাকল ওদের ভালোবাসা। ওদের উচ্ছ্বাস ছিল ছোট মানুষের মতো।

আর একটা কথা, আমার দেবর-জা দুজনেই আমেরিকা থাকে। আমি বাড়িতে ঈদ করব তা ওরা জানত। আর ওরা কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে শেষ রোজার দিন এসে বাড়িতে হাজির। রীতিমতো সারপ্রাইজড।

Check Also

sonardesh24.com

বৈদেশিক কর্মসংস্থানে সরকারের আরো উদ্যোগ গ্রহণ

সোনারদেশ২৪: ডেস্কঃ সরকার স্বল্প ব্যয়ে নিরাপদ অভিবাসন ও সহজ পদ্ধতিতে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com