Wednesday, October 17, 2018

ঘরে বসে লাখপতি হোন।

অনলাইন ভিত্তিক অর্থ উপার্জনের ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে ডি.আই.টি-তে বিভিন্ন কোর্স-এ ভর্তি চলিতেছে..!

মোবাইলঃ-01763-023348
sonardesh24.com

৫৭ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে ভাতা ফেরতের নোটিশ

সোনারদেশ২৪ রিপোর্টঃ

sonardesh24.comরাজশাহী জেলার বাঘায় ২০১৩-১৪ সালে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অর্ন্তভূক্ত ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ভুয়া প্রমাণিত করা হয়েছে। এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে উত্তোলিত সম্মানী ভাতার টাকা ফেরতের নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

অধিপত্য এবং অভ্যন্তরীন কোন্দলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। খোদ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠায় নতুনভাবে ৭ সদস্যের যাচাই-বাচাই কমিটি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে। এর ফলে তিনি আদালতের শরাণাপন্ন হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘায় ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত সম্মানী ভাতা পেতেন ৩৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা। পরবর্তী সময় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল খালেক তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে নতুন ভাবে ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করেন। এরপর ২০১৪ সাল থেকে ৪১০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়মিত তাদের সম্মানি ভাতা (টাকা) উত্তোলন শুরু করেন।

একাধিক সূত্র জানায়, নতুন মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা প্রকাশের পর উপজেলা কমান্ডার আবদুল খালেক বিরোধী রয়েজ উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধাসহ একটি পক্ষ ওই ৬০ জনের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি অভিযোগ প্রেরণ করেন।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম তার কার্যালয়ে নতুন করে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ‘এতে লাল মুক্তিবার্তা, গেজেট, সনদ জাল এবং জন্ম তারিখ’ ভুল ও গড়মিলের কারণে ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধা ভুয়া বলে গণ্য হয়। বাকি ৩ জনের আনুসঙ্গীক কিছু কাগজ না থাকায় তাদের অপেক্ষামান তালিকায় রাখা হয়।

জানা গেছে, এই ৬০ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে গতবছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে তাদের উত্তোলিত সম্মানী ভাতা (প্রায় ২৫ লাখ টাকা) মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় সোনালী ব্যাংক হিসাব নম্বরে ফেরত দেয়ার জন্য পত্র দিয়েছেন বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম। তবে এখন পর্যন্ত কোন টাকা ফেরত হয়নি বলে জানিয়েছেন সোনালী ব্যাংক বাঘা শাখার ব্যবস্থাপক।

এদিকে দেশব্যাপী তালিকা থেকে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধার আবেদনের প্রেক্ষিত প্রত্যেক উপজেলায় সরকারি সিদ্ধান্তে ৭ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। সেই কমিটির আলোকে গত মাসের ২৮ তারিখ বাঘায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই হওয়ার দিন ধার্যছিল। সেদিন অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধারা উপজেলা চত্বরে উপস্থিত হয়ে ছিলেন। কিন্ত এক ফ্যাক্স বার্তায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল খালেক সরকারের নাম বাদ দিয়ে বীর প্রতিক আজাদ আলীর নাম আসায় বেঁধে যায় দ্বন্দ্ব। এর ফলে ওই দিন মুক্তিযোদ্ধা বাচাই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

পরদিন কমিটিতে নাম রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবদুল খালেক হাইকোর্টে রিট করেন। রিট আবেদনের শুনানী শেষে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ৩ মাসের জন্য বাচাইয়ে কার্যক্রম স্থগিতাদেশ দেন। এর ফলে ক্ষোভে ফেটে পরেন নতুনভাবে আবেদনকৃত মুক্তিযোদ্ধারা।

তারা বলেন, ‘আবদুল খালেক ওই কমিটিতে থাকলে তার পছন্দের কিছু  মানুষ আছেন তাদের জন্য তিনি চেষ্টা চালাবেন।’

অন্যদিকে আবদুল খালেক জানিয়েছেন, তাকে অন্যায়ভাবে ৭ সদস্যের বাছাই কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ উঠেছে তা সত্য নয়। এ কারণে তিনি মহামান্য হাইকোর্টের আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে ওই তালিকায় রাখতে হবে এরকম কোন নির্দেশ নেই। মুলত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ফ্যাক্স বার্তা আসায় ওই কমিটি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

Check Also

sonardesh24.com

নওগাঁয় দুটি ব্রীজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ সোনারদেশ২৪: নওগাঁর মহাদেবপুরে স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৭ বছর পর অবশেষে আত্রাই নদীর শিবগঞ্জঘাট ও ...

সম্পাদকঃ জিয়া্উল হক, নির্বাহী সম্পাদকঃ নওশাদ আহমেদঠিকানাঃ কমিউনিটি হাসপাতাল (৫ম তলা) মুজিব সড়ক, সিরাজগঞ্জ।
ফোনঃ ০১৬৮৩-৫৭৭৯৪৩, ০১৭১৬-০৭৬৪৪৪ ইমেইলঃ sonardesh24.corr@gmail.com, sonardesh24@yahoo.com